সারাদেশ

মানুষের ভিতরে কেন এত যৌ’ন কা’ম: এসপি আবিদা

টাইমস টিভি ডেস্কঃ রাজধানীর কলাবাগানে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের শিক্ষার্থী আনুশকা ধ’র্ষ’ণ ও হ’ত্যার ঘটনায় চারদিকে প্রতিবাদের ঝড় বয়ে যাচ্ছে। সহপাঠীকে হারিয়ে শোকে কাতর ধানমন্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কুলের শিক্ষার্থীরা। এ ধ’র্ষ’ণ ও ম’র্মা’ন্তি’ক হ’ত্যা নাড়া দিয়েছে সমাজের বিবেককে। যে যার জায়গা থেকে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।তেমনিভাবে ধ’র্ষ’ণের প্রতিবাদ জানিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন লালমনিরহাটের পু’লিশ সুপার (এসপি) আবিদা সুলতানা।রোববার (১০ জানুয়ারি) দেওয়া আবিদা সুলতানার ফেসবুক স্ট্যাটাসটি সময় সংবাদের পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধ’রা হলো:

রাতে একজন মায়ের অনুভূতি কেমন হয়, যদি আদরের সন্তানকে অন্যের লালসার বলি হ‌তে দেখতে হয়!! মানুষের ভিতরে কেন এমন পশুর প্রবৃত্তি? কেন এত যৌ’ন কা’ম? এর শেষ কোথায়? পঞ্চান্ন/ষাট বছরের প্রবীণ,‌ হাড্ডী কঙ্কালসার পনের ষোল বছরের প্রতিব’ন্ধীকে তখন ধ’র্ষ’ণ করে তখন তাকে কী বলা যায়? ??
আবার এমন আচরণের জন‌ অনুশোচনার লেশমাত্র নেই। বক্তব্য.. আমা’র ভাতিজিকে আমি তো একটু আদর করতেই পারি!!!!
আহ্ !!! কী আজব!!

মায়ের চোখের অঝোর শ্রাবণ আমাকে আ’হত করে!! কী করব?? কয়জন মাকে স্বস্তি দিতে পারি আম’রা?কী ছে’লে, কী মেয়ে .. কখন কীভাবে কার লালসার শিকার হবে বোঝা কি সম্ভব?র’ক্তাক্ত ছোট্ট ছে’লেটিকে দেখে কী মা প্রথমে বুঝতে পেরেছিলেন যে তার‌‌ই সহপাঠী বড় ক্লাসের ছে’লেটির শিকার হতে হবে তার সন্তানকে এমন করে??এমন অ’সুস্থতা কেন মানুষের মধ্যে?? এই অসভ্যতার শেষ কী করে হবে?প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) সকালে বন্ধু দিহানের মোবাইল কল পেয়ে বাসা থেকে বের হন রাজধানীর ধানমন্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কুলের ‘ও’ লেভেলের শিক্ষার্থী আনুশকা নূর আমিন। এরপর কি’শোরীকে কলাবাগানের ডলফিন গলির নিজের বাসায় নিয়ে যান দিহান। ফাঁকা বাসায় তাকে ধ’র্ষ’ণ করা হয়। অ’সুস্থ হয়ে পড়লে দিহানসহ চার বন্ধু তাকে ধানমন্ডির আনোয়ার খান ম’র্ডান মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ছা’ত্রীকে মৃ’ত ঘোষণা করেন। ধ’র্ষ’ণের পর অ’তিরিক্ত র’ক্তক্ষরণে তার মৃ’ত্যু হয় বলে জানান চিকিৎসকরা। এ ঘটনার মা’ম’লায় দিহান গ্রে’প্তা’র রয়েছেন। তিনি ১৬৪ ধারায় আ’দা’লতে জবানব’ন্দিও দিয়েছেন।

এ ঘটনায় আনুশকার বাবা বাদী হয়ে মা’ম’লা করেছেন। মা’ম’লার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত বৃহস্পতিবার (৭ জানুয়ারি) সকালে আমা’র স্ত্রী’ ও আমি বের হয় হই। পরে আমা’র মে’য়ে বেলা সাড়ে ১১টায় তার মাকে ফোন দিয়ে বলে সে কোচিংয়ের পেপার্স আনতে বাইরে যাচ্ছে। দুপুর ১টা ১৮ মিনিটে দিহান আমা’র স্ত্রী’কে ফোন দিয়ে বলে আমা’র মে’য়ে তার বাসায় গিয়েছিল। সেখানে হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়ায় তাকে রাজধানীর আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতলের জরুরি বিভাগে ভর্তি করেছে। এ কথা শুনে আমা’র স্ত্রী’ দুপুর ১টা ৫২ মিনিটের দিকে হাসপাতা’লে পৌঁছায়। সেখানে গিয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসকের কাছে জানতে পারেন আমাদের মে’য়েকে ধ’র্ষ’ণ করে মে’রে ফেলা হয়েছে।

Back to top button