সিলেট

সিলেটে মা’রা যাওয়া চিকিৎসক করো’নায় আ’ক্রান্ত ছিলেন, স্ত্রী’ পজিটিভ

নিউজ ডেস্ক- সিলেট মা’রা যাওয়া এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতা’লের সহযোগী অধ্যাপক শামসুর রহমান (ময়না) করো’নাভাই’রাসে আ’ক্রান্ত ছিলেন। তিনি হাসপাতা’লের শি’শু সার্জারি বিভাগের প্রধান ছিলেন। এদিকে তার স্ত্রী’ একই হাসপাতা’লের চিকিৎসক আফরোজা বেগম নীপার শরীরে কোভিড সংক্রমণ ধ’রা পড়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) দুপুরে সিলেটটুডে টোয়েন্টিফোরকে এ তথ্য নিশ্চিত করে সিলেট স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায় জানান, গত সোমবার মা’রা যান সহযোগী অধ্যাপক শামসুর রহমান। এরপর স্বাস্থ্য বিভাগ তার শরীর থেকে কোভিড নমুনা সংগ্রহ করে। মঙ্গলবার তার শরীরে কোভিড সংক্রমণের কথা জানা যায়।

তিনি আরও বলেন, ‘মৃ’ত্যুর দিন সকালে ডা. শামসুর রহমানকে হাসপাতা’লে নেয়া হয়। তখনই সেখানে উপস্থিত চিকিৎকরা তাকে মৃ’ত ঘোষণা করেন। মৃ’ত্যুর পর তার শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং পরীক্ষা করে করো’নাভাই’রাস সংক্রমণ ধ’রা পড়ে। তার স্ত্রী’ও করো’নাভাই’রাসে আ’ক্রান্ত হয়েছেন। তাদের পরিবারের সবাইকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।’

ডা. হিমাংশু লাল রায় ‍আরও বলেন, ‘এখন নিশ্চিত হয়ে বলা যাচ্ছে না যে তার মৃ’ত্যু করো’নায় হয়েছে, কিন্তু ধারণা করা হচ্ছে করো’নায় আ’ক্রান্ত হয়েই তিনি মা’রা যান। তবে তার মৃ’ত্যুর বিষয়টি ও পরে করো’নাভাই’রাস পজিটিভ হওয়ার বিষয়টি আম’রা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছি, একইসাথে তার স্ত্রী’ চিকিৎসক আফরোজা বেগম নীপার করো’না পজিটিভ হওয়ার বিষয়টিও জানিয়েছি।’

এদিকে সিলেট স্বাস্থ্য বিভাগের বুধবারের বুলেটিনেও একজনের মৃ’ত্যুর বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। একই সময়ে সিলেটে আরও তিনজনের শরীরে করো’নাভাই’রাস সংক্রমণ শনাক্ত হয়।

প্রসঙ্গত, সারাদেশে করো’নাভাই’রাসে মৃ’ত্যুবরণকারী প্রথম চিকিৎসক ডা. মঈন উদ্দিন। তিনি ওসমানী হাসপাতা’লের মেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন। তিনি ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল মা’রা যান।

Back to top button
error: Alert: Content is protected !!