জাতীয়

উপজে'লা পরিষদের সব কাজে চেয়ারম্যানের অনুমোদন নিতে হবে ইউএনওদের

উপজে'লা পরিষদের অধীনে ন্যস্ত সব দপ্তরের কার্যক্রম পরিষদের চেয়ারম্যানের অনুমোদনক্রমে ও বিধি অনুসারে করার জন্য উপজে'লা নির্বাহী কর্মক'র্তাদের (ইউএনও) নির্দেশনা দিয়ে ইতোপূর্বে যে সার্কুলার জারি করা হয়েছিল, সেটি অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছেন হা'ই'কো'র্ট।

উপজে'লা পর্যায়ে বিভিন্ন দপ্তরের কাগজপত্র ও নথি উপজে'লা চেয়ারম্যানের কাছ থেকে ইউএনওদের অনুমোদন নিতে হবে- এটিসহ এ সংক্রান্ত বিধি ও প্রজ্ঞাপন বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এ জন্য আদেশের বিষয়টি উল্লেখ করে ইউএনওদের প্রতি সার্কুলার জারি করতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন আ'দা'লত।

এক সম্পূরক আবেদনের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কা'ম'রুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত হা'ই'কো'র্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

আ'দা'লতের রিট'কারীদের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ ও ব্যারিস্টার হাসান এমএস আজিম।

পরে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, উপজে'লা পরিষদ আইন ও এর অধীনে করা বিধিমালায় বলা আছে- উপজে'লা পরিষদের অধীনে ন্যস্ত সব বিভাগের কার্যক্রম উপজে'লা পরিষদের অনুমোদন নিয়ে ইউএনও’রা (উপজে'লা নির্বাহী কর্মক'র্তা) পরিচালনা করবেন। এ বিষয়ে একাধিক সার্কুলারও জারি করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। কিন্তু ইউএনওরা সেটা না করে নিজেরাই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে উপজে'লা পরিষদকে অবহিত করেন।

মনজিল মোরসেদ আরও বলেন, জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি দ্বারা স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা পরিচালিত হবে। কিন্তু ইউএনও’রা সেটা মানেন না, যা সংবিধান ও আইনের পরিপন্থী। এক্ষেত্রে আইনের ব্যত্যয় যাতে না ঘটে, সেজন্য হা'ই'কো'র্টের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়।

গত বছরের ৭ ডিসেম্বর উপজে'লা পরিষদ আইনের ৩৩ ধারা চ্যালেঞ্জ করে উপজে'লা পরিষদ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও দুমকি উপজে'লা চেয়ারম্যান হারুন-অর-রশিদ এবং সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মনোহরদী উপজে'লা চেয়ারম্যান সাইফুল ই'স'লা'ম খানসহ পাঁচজন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি হা'ই'কো'র্টে রিট আবেদনটি করেন।

ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ইউএনওদের সাচিবিক দায়িত্ব পালনের বিধান সংক্রান্ত উপজে'লা পরিষদ আইনের ৩৩ ধারা কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে হা'ই'কো'র্ট রুল জারি করেন চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি।

Back to top button